• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত

জনগণের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জুবিলি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: জুন ২২ ২০২৪, ১৯:৩০ অপরাহ্ণ
অ- অ+
জনগণের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জুবিলি

মো. শারফুদ্দিন আহমেদ

0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

ডাক্তার মো. শারফুদ্দিন আহমেদ: পুরান ঢাকার কেএম দাস লেনের ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এ দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এ দেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠার শুরুতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হক।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই কেটে গেছে লড়াই আর সংগ্রামে। হত্যা, ষড়যন্ত্র- সবই দেখেছে দলটি। এরই মধ্যে ৭৪ বছর পূর্ণ করল আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেয়া দলটির ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী রোববার (২৩ জুন)। ৭৫ বছরে পা দিল টানা তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থাকা দলটি। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। ‘বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ’- ইতিহাসে এ তিন নাম একই সূত্রে গাঁথা।
পাকিস্তানের সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সব আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে দলটি। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৪ সালের দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপসহীন সংগ্রাম-লড়াই ও ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা পুরো জাতির জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধু সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহযোগিতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তারপর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে সংগঠনটিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন ও দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। এর পর থেকে তিনি শক্ত হাতে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

২১ বছর লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসে। মাঝে এক মেয়াদে ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দলের আইভী রহমানসহ বহু নেতাকর্মী নিহত ও আহত হন। ২০০১ ও ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আরেক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে জয়ী হয়ে ফের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় দলটি। পরবর্তী ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মত সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

বাংলাদেশ এরই মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে; যা মোটেও সহজ কাজ নয়। এসব একমাত্র শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হচ্ছে।

সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে গ্রামীণ নারী-শিশুসহ সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে। সেই সাথে বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ দেয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য সেবার সম্প্রসারণ ও গুণগত মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বর্তমানে প্রায় ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে, মহিলা ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে মৌলিক চিকিৎসা চাহিদা পূরণ, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অসংক্রামক রোগগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে ব্যাপক উদ্যোগ, পুষ্টি উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সূচকগুলোর ব্যাপক অগ্রগতিতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছে বহু দূর।

দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, কৃষি দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রফতানিমুখী শিল্পায়ন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প, রফতানি আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচক বৃদ্ধি প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও পরিশ্রমের ফসল। প্রধানমন্ত্রীর সঠিক পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় বৈশিক মহামারী করোনা ভাইরাসের করালগ্রাস থেকে দেশের আপামর মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশাল অবদান রেখেছে। উদ্বোধন হয়েছে বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও ঢাকা মেট্রোরেল। এছাড়া, চলছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরসহ দেশের মেগা প্রকল্পগুলো।

১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার দুঃসাহসী সিদ্ধান্তের কারণেই আওয়ামী লীগ আজ দল হিসেবে বহু বেশি শক্তিশালী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯৬-২০০১ ও ২০০৯ থেকে এখন পর্যন্ত ১৯ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বাংলাদেশে এর আগে কেউ এত বছর সরকারপ্রধান হিসেবে দেশ চালাতে পারেননি। এর বাইরে ১১ বছরেরও বেশি সময় তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় ৩০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি আজ তার নেতৃত্বে সামরিক শাসনের স্মৃতি পেছনে ফেলে দেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে। তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে, জাতি হিসেবে বাঙালিকে ও দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক ভিন্ন উচ্চতায়।

আওয়ামী লীগের মোট ২৪ বছরের শাসনামলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে দুই হাজার ৭৮২ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ছিল ৯৯ মার্কিন ডলার।

বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপন হয়েছে। কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে সাফল্য এসেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জঙ্গি দমনে সাফল্য সারা বিশ্বে আলোচিত। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বিধবা ভাতা, গৃহহীনদের গৃহ প্রদান ও মেধাবী ছাত্রদের বৃত্তি প্রদান শেখ হাসিনার সাফল্যকে বহু দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত থাকুক- আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জুবিলি প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

লেখক: প্রাক্তন উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়;
প্রাক্তন মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন।

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ
মতামত

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

নীরব ঘাতক ‘পানিতে ডোবা’ : ঝুঁকিতে আমাদের ভবিষ্যৎ
মতামত

৮১ বছরে জাতিসংঘ : সংস্কার, প্রাসঙ্গিকতা ও দায়বদ্ধতা

হিজরি নতুন বছর ও মহররম মাসের ফজিলত
মতামত

জমাদিউল আউয়াল মাসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও আমল

স্তন ক্যানসার কি বংশগত? পারিবারিক ইতিহাস জানলে কেন সতর্ক হওয়া জরুরি
মতামত

স্তন ক্যানসার কি বংশগত? পারিবারিক ইতিহাস জানলে কেন সতর্ক হওয়া জরুরি

স্ট্রোক কেন হয়? উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ঝুঁকি
মতামত

স্ট্রোক কেন হয়? উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ঝুঁকি

হিজরি নতুন বছর ও মহররম মাসের ফজিলত
মতামত

সুরা আল-বাকারার অন্তর্নিহিত জ্ঞান ও ফজিলত

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের নতুন সমন্বয়কারী আমানতউল্লাহ আমান

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের নতুন সমন্বয়কারী আমানতউল্লাহ আমান

দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পেতে রাসূলের আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই : তাহের জাবেরি

দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পেতে রাসূলের আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই : তাহের জাবেরি

দায়িত্বে অবহেলা করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: মেয়র শাহাদাত

আদালতের রায়ে মেয়র, এবার চসিকের প্রশাসক হলেন শাহাদাত হোসেন

সাংবাদিক শফিকুর রহমানের মৃত্যুতে সিইউজের গভীর শোক

সাংবাদিক শফিকুর রহমানের মৃত্যুতে সিইউজের গভীর শোক

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.