• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
শনিবার, ৯ মে ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ পার্বত্য জেলা

বিলুপ্তির পথে শন ও শনের তৈরী ঘর

প্রকাশিত: আগস্ট ২৮ ২০২১, ১৩:১০ অপরাহ্ণ
অ- অ+
বিলুপ্তির পথে শন ও শনের তৈরী ঘর
0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি: বিলুপ্তির পথে শন ও শনের তৈরী ঘর।যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হারিয়ে যেতে বসেছে শন। এবং শনের তৈরী পাহাড়ীদের তংঘর,মাছাং ঘর ও গ্রাম বাংলার শনের তৈরী বেড়া ও গুদামঘর।হারিয়ে যেতে বসেছে প্রাচীন ঐতিহ্য।

শন হলো- একধরনের খড়ের মত চিকন, লম্বা পাতা জাতীয় ছোট উদ্ভিদ।এগুলো দেখতে অনেকটা খাগড়ার পাতার মত হলেও চিকুন কিন্তু সরু মাটি থেকে সরাসরি উঠে যা ৫ ফুটের বেশি লম্বা হয়। ঘর চাউনি তৈরিতে বেশি উপযোগী।

বলতে গেলে বর্তমানে গ্রামের ভিতরে তেমন একটা লক্ষ্য করা যায়না এবং চোখে পড়েনা। শহরের বেলায় তো কথাই নেই।মানুষ এখন শহরমুখী হয়ে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত-আগের দিনে মানুষ গরু-মহিষ দিয়ে চাষাবাদ করত, প্রযুক্তি আবিস্কারের ফলে বর্তমানে মেশিন দিয়ে চাষাবাদ করত।তেমনি যুগের সাথেই তাল মিলিয়ে মানুষ এখন শনের তৈরী কাঁচা (মাছাং) ঘরে থাকতে চাইছেন না। পাহাড়ে জুম চাষ ও সমতলে কৃষি চাষের ফলে বর্তমানে বিলুপ্তির পথে শন।

আজ থেকে প্রায় দুই যুগের আগে বাড়ির আনাসে- কানাসে বা চারিপাশে জঙ্গলে যেখানে- সেখানে শন দেখা যেত। বাড়ির বা ঘরের চাউনি হিসেবে মানুষ শন ব্যবহার করত এবং শন সংরক্ষণ করতো অতি প্রয়োজন বলে।

তখনকার সময়ে অর্থনৈতিক আয়ের উৎস বলা হতো শনকে।বন্দা হিসেবে বিক্রয় করলে প্রতি বন্দা ১৫-২০ টাকা হতে ৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতো।যেমন ধরুন আপনার ১ টি বড় শনহলা বা শনের বাগান আছে তা অনেক দামে বিক্রয় করতে পারবেন।

মানুষ কচু, আদা,সবজি ক্ষেতে জাক ও জৈব সার হিসেবে পঁচা শন ব্যবহার করতো।যখন ডেউটিন আবিষ্কার হয়নি, তার আগে যুগ যুগ ধরে বেশি ভাগ মানুষ শনের তৈরী কাঁচা ঘরে বাস করতো। সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যে করা যেতে পারে মধ্য যুগে (পনের শতক হতে উনিশ শতকের)।

আদিম যুগের মানুষের বেলায়তো কথা নেই,যা ইতিহাস পড়লে জানা যায়।আমাদের বাপ- দাদা আমলেও ব্যাপক শনের ব্যবহার প্রচলন ছিল।

কালের বিবর্তন এবং যুগ পরিবর্তন আধুনিক প্রযুক্তির আবিষ্কারের ফলে মানুষ শনের পরিবর্তে ব্যবহার করছে ঢেউটিন ও অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জাম।

কিন্তু শনের তৈরী কাঁচা ঘরে বসবাস করা একটা আলাদা শস্তিদায়ক।প্রখর রোদে ও বেশ ঠান্ডা এবং ঝড়- বাদলে ও শব্দ দূষণ হয়না। বাতাসও কম ধরে।মাটিও ক্ষয় কম হয়।

সবচেয়ে সুবিধা হলো সুউচ্চ পাহাড়ের পাহাড়ীদের জুমের মাঝখানে শনের চাউনি দিয়ে তৈরী করা খোলা মাছাং ঘরে ঘুমনো।দক্ষিণা মুক্ত বাতাস দোলা দিয়ে যায় যখন,পরশে ঘুমিয়ে পড়বে কখন তুমি নিজেও জানবে না।সবকিছু মিলিয়ে শনের তৈরী কাঁচা ঘর দেখতে একটা আলাদা সুন্দর লাগতো।যা ঐতিহ্যও বলা হতো।

আর না ঘুমালেও দক্ষিণা বাতাস যখন গায়ে দোলা দিত মনে পড়তো প্রিয় জনের কথা।শিল্পীরা তাই এই জুমঘরকে নিয়ে গানও তৈরি করেছেন -মুন উগুরে জুম গুচ্ছি ইক্কু ইদু আমা ঘর, তুই এবে তুই এবে বিলিনে চেঙে পুরি দাগদন অর্থাৎ পাহাড়ের উপড়ে জুম চাষ করেছি, তুমি আসবে অপেক্ষায় আসি। তাই শন রক্ষায় এগিয়ে আসুন, পরিবেশকে বাঁচান।

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

খাগড়াছড়িতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি
পার্বত্য জেলা

খাগড়াছড়িতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

কাপ্তাই হ্রদের উন্নয়নে দুই উপদেষ্টার মতবিনিময়
পার্বত্য জেলা

কাপ্তাই হ্রদের উন্নয়নে দুই উপদেষ্টার মতবিনিময়

জুলাই বিপ্লব আমাদের সাম্য, মৈত্রী ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে: পার্বত্য উপদেষ্টা
জাতীয়

জুলাই বিপ্লব আমাদের সাম্য, মৈত্রী ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে: পার্বত্য উপদেষ্টা

বান্দরবানে যুবদল নেতা অপহরণ
পার্বত্য জেলা

বান্দরবানে যুবদল নেতা অপহরণ

শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পার্বত্য উপদেষ্টার
পার্বত্য জেলা

শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পার্বত্য উপদেষ্টার

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চায় এ সরকার: পার্বত্য উপদেষ্টা
পার্বত্য জেলা

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চায় এ সরকার: পার্বত্য উপদেষ্টা

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি

চট্টগ্রামে এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের যোগদান

চট্টগ্রামে এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের যোগদান

নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সবজি থেকে এলাচ—সবখানেই বাড়তি দাম

নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সবজি থেকে এলাচ—সবখানেই বাড়তি দাম

ভাটিখাইনে যুবদল নেতা জিয়াউরের উদ্যোগে সড়ক মেরামত, কমলো দুর্ভোগ

ভাটিখাইনে যুবদল নেতা জিয়াউরের উদ্যোগে সড়ক মেরামত, কমলো দুর্ভোগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে নাহিদ ইসলাম

আইকনিক প্রিমিয়াম ডিজাইন নিয়ে আসছে অপো এ৬সি

আইকনিক প্রিমিয়াম ডিজাইন নিয়ে আসছে অপো এ৬সি

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.