• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
রবিবার, ১০ মে ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ অর্থনীতি

১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে : আমির খসরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১০ ২০২৬, ১৮:০৬ অপরাহ্ণ
অ- অ+
১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে : আমির খসরু
0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

ঢাকা : ফ্যাসিবাদী সরকার বিগত ১৬ বছরে সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পাশাপাশি সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খাতকে অকার্যকর করে দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে আমির খসরু এসব কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আমির খসরু বলেন, ‘বিএনপি সরকারের দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক দর্শনের কারণে অর্থনীতির মূল সূচকগুলো যেখানে ইতিবাচক ধারায় এনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করে গিয়েছিল, বিগত ১৬ বছরে তা অনেকটাই ধূলিসাৎ করা হয়েছে। আমি বিগত সরকারের আমলে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলোর বাস্তব চিত্র দেশবাসীকে জানাতে চাই।’

‘ওই সময়কালে অর্থনীতির আকার বৃদ্ধি পেলেও এর ভেতরে বেশ কিছু কাঠামো গত দুর্বলতা ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে ওঠে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৭৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ছিল তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে অর্থাৎ ৭.১৭ শতাংশে। পরে অর্থনীতির আকার বাড়লেও দুর্বৃত্তায়ন ও ভ্রান্ত নীতির কারণে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধির হার কমে ৪.২২ এবং মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯.৭৩তে পৌঁছায়। ২০০৫-০৬ সালে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৬৬ শতাংশ, ২০২৩-২৪ সালে সেটা নেমে এসেছে মাত্র ৩.৫১ শতাংশে। কৃষিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.৭৭ শতাংশ, তা ২০২৩-২৪ সালে কমে হয়েছে ৩.৩০ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘একটি অর্থনীতি যখন শিল্পের চালিকাশক্তি হারিয়ে ফেলে, তখন কর্মসংস্থান সংকুচিত হয় এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। বিগত সময়ে এটি চরমভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। বিগত এক দশকে দেশের অর্থনীতির প্রধান তিনটি খাতের মধ্যে কৃষিখাতে মূল্য সংযোজনের অংশ কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ, অন্যদিকে শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বেড়েছে। কিন্তু এই সময়ে কৃষি খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে ৪.৮ শতাংশ আর শিল্প ও সেবা খাতে কর্মসংস্থান কমেছে। শিল্প ও সেবা খাতে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় তরুণরা বাধ্য হয়ে কৃষি খাতেই বেশি করে নিয়োজিত হয়েছে। এতে করে ছদ্ম-বেকারত্ব তীব্রতর হয়েছে এবং তরুণদের শ্রমশক্তি অপচয় হয়ে তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে সীমিত করছে। বর্তমানে কৃষি খাত মোট জাতীয় মূল্য সংযোজনের মাত্র ১১.৬ শতাংশ যোগ করলেও মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৪১ শতাংশ এই খাতে নিয়োজিত। এই বৈপরীত্য কৃষি খাতে শ্রমের নিম্ন উৎপাদনশীলতাকে ইঙ্গিত করে ও শ্রমবাজারের গভীর কাঠামোগত দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে এবং এটা কর্মসৃজনবিহীন প্রবৃদ্ধির ঝুঁকিরই পরিচায়ক।’

আমির খসরু বলেন, ‘২০০১-০৬ সময়ে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের মধ্যে একটি সুস্থ ভারসাম্য বজায় রাখতে নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল, যেখানে জাতীয় সঞ্চয় জিডিপির ২৯.৯৪ শতাংশ এবং মোট বিনিয়োগ ছিল ২৮.৭৫ শতাংশ। ২০২৩-২৪ সালে এই চিত্র উল্টে গেছে, বিনিয়োগ জিডিপির ৩০.৭০ শতাংশ হলেও সঞ্চয় নেমে এসেছে ২৮.৪২ শতাংশে। বিনিয়োগ সঞ্চয়কে ছাড়িয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত চাহিদা বৈদেশিক উৎস হতে সংস্থান করা হয়েছে। ফলে বহিঃ খাতের ওপর চাপ বেড়েছে। ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান ছিল ৬৭.২ টাকা। ২০২৩-২৪ সালে সেটা হয়েছে ১১১ টাকা এবং ২০২৪-২৫ সালে আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১ টাকায়।’

‘ক্রমাগত অবচিতির কারণে ১৫ বছরে টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়, যা মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতাকে কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ (এম২) প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯.৩ শতাংশ ও রিজার্ভ মুদ্রার প্রবৃদ্ধি ছিল ২৩.৯ শতাংশ, যা অর্থনীতিতে প্রাণশক্তির ইঙ্গিত দেয়।’

তিনি বলেন, ‘২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। এম২ প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়ায় মাত্র ৭.৭ শতাংশ এবং রিজার্ভ মুদ্রার প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.৯ শতাংশ। জুন ২০০৬-এ অভ্যন্তরীণ সম্পদের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯.৫ শতাংশ, যা ২০২৫-এ নেমে এসেছে ৬.৭ শতাংশে। অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধিও ২১.১ শতাংশ থেকে কমে ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ মন্থরতা ও ব্যাংকিং খাতে তারল্য চাপের বহিঃপ্রকাশ। ২০০৫-০৬ সালে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮.৩ শতাংশ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের সময়ে মুদ্রানীতির অব্যবস্থাপনাসহ কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৯.৮ শতাংশে নেমে আসে, যা ২০২৪-২৫ সালে আরও কমে ৬.৫ শতাংশে এসে পৌঁছেছে।’

রাজস্ব আদায় নিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থায়ও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক মাত্রায় উন্নীত করা সম্ভব হয়নি এবং রাজস্ব ফাঁকি ও অপচয়ের কারণে সরকারের সম্পদ আহরণ সক্ষমতা সীমাবদ্ধ থেকেছে। ২০০৫-০৬ সালে মোট রাজস্ব ছিল ৪৩৯ বিলিয়ন টাকা, যা জিডিপির ৮.২ শতাংশ। ব্যয় ছিল ১১.১ শতাংশ, ফলে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ সালে রাজস্ব বেড়ে ৪,০৯০ বিলিয়ন টাকায় দাঁড়ালেও জিডিপির অনুপাতে তা ৮.২ শতাংশেই স্থির থাকে। অন্যদিকে, ব্যয়ের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১২.২ শতাংশে, ফলে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়ায় ৪.০৫ শতাংশে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজেট ঘাটতি কমানো যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘শুধু বাজেট ঘাটতি যে বেড়েছে তাই নয়, এ বৃদ্ধির মানও প্রশ্নবিদ্ধ। প্রকল্প ছিল অতিমূল্যায়িত এবং এগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাইও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে করা হয়নি। বিগত সরকারের আমলে বাস্তবায়িত মেগা প্রকল্পগুলো এই ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ্য। ফলে জনগণ সেই বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল ভোগ করতে পারেননি। লুটপাটের মাধ্যমে লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বিশদভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।’

ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘সরকারি ঋণের ক্ষেত্রে একটি অস্বাস্থ্যকর পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং তুলনামূলক উচ্চ সুদের ব্যয় সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে ঋণ পরিশোধের দায়ও বৃদ্ধি পায়।’

আমির খসরু বলেন, ‘২০০৫-০৬ সালে মোট সরকারি ঋণ ছিল জিডিপির ৩৭.৮ শতাংশ, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৪.৫ শতাংশ ও ২৩.৩ শতাংশ। এছাড়া সুদ পরিশোধ ছিল মাত্র ৮৫ বিলিয়ন টাকা। অন্যদিকে, ২০২৩-২৪ সালে মোট ঋণ জিডিপির অনুপাত প্রায় একই থাকলেও অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় যথাক্রমে ২১.৫ ও ১৭.১ শতাংশ। বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ জিডিপির শতাংশে কমলেও এই ঋণের একটা অংশ নন-কনসেশনাল বা অনেক ক্ষেত্রে মার্কেট রেট /ব্লেন্ডেড হওয়ায় দেশের ডেট সাসটেইনেবিলিটির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সরকারের সুদ ব্যয়ের চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক। ২০০৫-০৬ সালে সুদ পরিশোধ ছিল মাত্র ৮৫ বিলিয়ন টাকা। ২০২৩-২৪ সালে সেটা বেড়ে হয়েছে ১,১৪৭ বিলিয়ন টাকা অর্থাৎ ১৩ গুণের বেশি বৃদ্ধি।

তিনি বলেন, ‘এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অধিক নির্ভরতার কারণে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা বিশেষ করে এসএমই খাতের জন্য ঋণ প্রাপ্তি কঠিন হয়েছে, যাকে অর্থনীতির ভাষায় ক্রাউডিং আউট বলা হয়ে থাকে।’

আমদানি-রপ্তানি, প্রবাস আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৫-০৬ সালে রপ্তানি ও আমদানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১০.৫ বিলিয়ন ও ১৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই অর্থবছরে রপ্তানি ও আমদানির প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ২১.৬ ও ১২.২ শতাংশ। এছাড়া রেমিট্যান্স ও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৪.৮ বিলিয়ন ও ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার; ২০২৩-২৪ সালে রপ্তানি ও আমদানি বেড়ে যথাক্রমে ৪০.৮ ও ৬৩.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও এই দুটি সূচকের প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক।’

আমির খসরু বলেন, ‘আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে বড় ব্যবধানের কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় রেমিট্যান্স বেড়ে ২৩.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়ালেও হুন্ডি প্রবাহ বা অর্থ পাচারের কারণে রিজার্ভের পরিমাণ কমে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও আমদানি প্রবৃদ্ধি কমে এসেছে। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় (৩০.৩ বিলিয়ন ডলার), যা রিজার্ভকে শক্তিশালী করেছে। ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩.২ বিলিয়ন ডলার।’

‘সর্বোপরি অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে পরিমাণগত অগ্রগতি থাকা সত্ত্বেও গুণগত দিক থেকে ভারসাম্যহীনতা, নীতি সমন্বয়ের ঘাটতি এবং কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে অর্থনীতি একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় উপনীত হয়েছিল, যা থেকে উত্তরণ আজকের সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

ঘাসফুলের ৪৪তম এজিএমে নিরাপদ খাদ্য ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপ
চট্টগ্রাম

ঘাসফুলের ৪৪তম এজিএমে নিরাপদ খাদ্য ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
চট্টগ্রাম

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে
বিনোদন

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়
রাজনীতি

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ
চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি
তথ্যপ্রযুক্তি

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

ঘাসফুলের ৪৪তম এজিএমে নিরাপদ খাদ্য ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

ঘাসফুলের ৪৪তম এজিএমে নিরাপদ খাদ্য ও তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপ

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

কেসি দে ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে নাসির সভাপতি ও জামাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে

ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন, কবিতা-গানে স্মরণ বিশ্বকবিকে

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়

নির্বাচন পরবর্তী চট্টগ্রাম-৯ আসন বিএনপির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের নৌবাহিনীর জাহাজ

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি

সাত হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি

চট্টগ্রামে এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের যোগদান

চট্টগ্রামে এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের যোগদান

নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সবজি থেকে এলাচ—সবখানেই বাড়তি দাম

নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সবজি থেকে এলাচ—সবখানেই বাড়তি দাম

ভাটিখাইনে যুবদল নেতা জিয়াউরের উদ্যোগে সড়ক মেরামত, কমলো দুর্ভোগ

ভাটিখাইনে যুবদল নেতা জিয়াউরের উদ্যোগে সড়ক মেরামত, কমলো দুর্ভোগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে নাহিদ ইসলাম

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.