নবনী …মিষ্টি চেহারা, বয়স ৬
ছোট্ট ফ্রক আর চুল এলোমেলো
হয়নি এখনও বড়
স্কুলের পথ …ভোর সাড়ে ৬টা
যাচ্ছে নেচে নেচে
মনের সুখে গাইছে গান ,
‘আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে-
নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী স্বত্বে?’
তবে সে ছিল রানী,
মায়ের একমাত্র রানী
বাবা তার জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছে।
সুতোতে সূচ গেঁথে সংসার চলে
স্কুলে যাচ্ছে
ফাঁকা রাস্তা দুই পাশে ঘন বন
খেয়াল করলো তার পিছনে কারো
নিঃশ্বাসের শব্দ
ফিস…. ফিস…ফিস
পিছন ফিরে তাকাতেই
ফ্রক ছিঁড়ল
ফ্রকের এক অংশ দিয়ে
মুখ বাঁধলো ,
এক অংশ দিয়ে হাত ,
আরেক অংশ দিয়ে পা
আর্তনাদ শুনছে পাখিরা
বাঁচাও …. বাঁচাও …..বাঁচাও
ততক্ষণে জলসাখানা তৈরি হয়ে গেছে,
অট্টহাসি হাসছে রাজারা
রানীকে উলঙ্গ করে
হঠাৎ রানীর
পা দুটো খুলেছে ..
না না রানীর মুক্তি নেই,
অমনি..
নরকের কীট উড়ে এসে জুড়ে বসলো রানীর শরীরের ওপর,
রানীর ফেলোপিয়ান নালি দিয়ে কীট তাদের বিষাক্ত তরল প্রবেশ করিয়ে রানীকে বলছে ..
‘চেল্লা আরো চেল্লা হা হা হা’
এবার নরপিশাচ ক্লান্ত,
রানীর পায়ে পাড়া দিয়ে রেখেছে,
পাশ থেকে ইট নিয়ে মুখ এবং পা থেতলে দিয়েছে,
আর বলেছে..
সুউ…….কেউ যেন জানতে না পারে,
কীট উড়ে গেছে,
ফেলে রেখে গেছে
রানীর শরীর,
ব্যথায় কাতরাচ্ছে,
রক্তের বন্যায় ভাসছে
রাণী উঠেছে।
তারপর
সে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করলো,
‘মন্ত্রী তোমার থেকেও কি নরপিশাচের ক্ষমতা বেশি?’
কবি : শিক্ষার্থী, উচ্চ মাধ্যমিক, প্রথম বর্ষ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ, চট্টগ্রাম।
















