• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত

হজরত মুহাম্মদ (সা.) : মরুর বুকে বিশ্বশান্তির দূত

ফখরুল ইসলাম নোমানী
প্রকাশিত: আগস্ট ১৩ ২০২৬, ১৫:৩৮ অপরাহ্ণ
অ- অ+
হিজরি নতুন বছর ও মহররম মাসের ফজিলত
0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

মানব ইতিহাসে অনেক জ্ঞানী, দার্শনিক ও সংস্কারক এসেছেন। তারা কেউ জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নয়নে কেউ ন্যায়নীতির প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন। তবে সবার ঊর্ধ্বে যার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয় তিনি হলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। মরুর বুকে বিশ্বশান্তির দূত হয়ে তিনি এসেছিলেন। তার দয়া-করুণা ছিল সীমাহীন। এমনকি যারা তাকে অস্বীকার করত কিংবা তার সঙ্গে শত্রুতা করত তাদের প্রতিও তিনি দয়া ও মমতা প্রদর্শন করেছেন।

আল্লাহ মানব জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসুল দুনিয়ার বুকে পাঠিয়েছেন। তাদের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী-রাসুল হলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। মানবতার মুক্তির মহান অগ্রদূত মহানবী (সা.) সব মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, মানবতার মুক্তির দূত, সাইয়্যেদুল মুরসালিন খাতামুননাবিয়ীন, হযরত মুহাম্মদকে (সা.) আল্লাহ বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য রাসুলের জীবনীর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’

তার প্রতিটি কথা, কাজ, অনুমোদন, নির্দেশনা, আদেশ, নিষেধ ও উপদেশ দুনিয়া-আখেরাতের কল্যাণের বার্তাবাহী। তিনি গোটা মানব জাতির শিক্ষক। তাঁর সে কালজয়ী আদর্শ ও অমিয়বাণী দ্যুতি ছড়িয়ে পথপদর্শন করেছে যুগ যুগান্তরে, আলোকিত হয়েছে মানবমন্ডলী। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী এবং রাসূল। তিনি মানুষের আলোর দিশারী। হযরত মুহাম্মদের (সা.) আবির্ভাবের সময় সমগ্র আরব জাহানে এক চরম অরাজকতা বিরাজ করছিল। গোত্রে গোত্রে কোন্দল, মারামারি, অহেতুক রক্তক্ষয় ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। ব্যভিচার, মদ্যপান, জুয়াখেলা, খুন, চুরি, ডাকাতি প্রভৃতি অপকর্মে সমাজে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছিল। নারীদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত করণ। কন্যা শিশু হত্যা করতেও তৎকালীন আরব পিতারা পিছপা হতো না। ঠিক এরকম এক ভয়াবহ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

মানুষের মুক্তি,শান্তি, শিক্ষা ও কল্যানের জন্য তিনি আজীবন সাধনা করেছেন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বগুণে গুণান্বিত একজন শ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.)। ব্যক্তিজীবনে সমাজ ও রাষ্ট্রে একমাত্র তাঁর অনুকরণ–অনুসরণই দিতে পারে মুক্তির দিশা। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ। তিনি মানবজাতির সর্বোচ্চ পূর্ণতায় অধিষ্ঠিত একমাত্র ব্যক্তি। (হে রাসুল) নিশ্চয় আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী।’

নবুয়্যত প্রাপ্তির পর হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে শুরু করেন। ইসলাম ধর্মের মূলবাণী হলো- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুল্লাহ অর্থাৎ এক আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই মুহাম্মদ তাঁর প্রেরিত রাসূল। এই মহাসত্য তিনি প্রচার করতে থাকেন। এই সত্য প্রচারের জন্য তাঁকে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়। মক্কার একদল বিপদগামী লোক তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে। কিন্তু মহানবী ছিলেন নির্ভীক। কোনো বাধাই তাঁকে সত্যধর্ম প্রচার থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

ধর্ম প্রচারকালে তাঁর হাতে মহিলাদের মধ্যে বিবি খাদিজা (রা.)ও পুরুষদের মধ্যে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) সর্বপ্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এভাবে ইসলামের আলো ক্রমশ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো। মহানবীর হিজরত ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এর মাধ্যমে ইসলাম নতুন গতি ও নতুন শক্তি লাভ করে। মহানবী (সা.) মুহাজির ও আনসারদের ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করেন। মুহাজির অর্থ হিজরতকারী। মক্কা থেকে হিজরত করে যাঁরা মদিনায় যান তাঁদেরকে বলা হয় মুহাজির। মুহাজিরদের মদিনায় যাঁরা আশ্রয় ও সাহায্য-সহযোগিতা দিলেন তাঁরা হলেন আনসার। আনসার অর্থ সাহায্যকারী। মহানবী (সা.) মদিনায় হিজরত করে একটি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হলেন। এখানে মুহাজির ও আনসারসহ সকল মুসলমান এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী, ইহুদি, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য মতাদর্শের লোক একত্রে মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে নিরাপদে বাস করবে। তাদের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় থাকবে এবং স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মকর্ম পালন করতে পারবে। সঙ্গে সঙ্গে মদিনার নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে এই উদ্দেশ্যে তিনি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদন করেন। এটিই মদিনার সনদ নামে খ্যাত এবং এটিই পৃথিবীর সর্বপ্রথম লিখিত সনদ। মদিনার সনদ হযরত মুহাম্মদের (সা.) রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কুটনৈতিক দূরদর্শিতা, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা এবং সুন্দর সমাজ গঠনের এক জ্বলন্ত স্বাক্ষর বহন করে।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) দশম হিজরীতে মক্কায় হজ্ব পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এটা ছিল তাঁর জীবনের শেষ হজ্ব। তিনি এরপর আর হজ্ব করার সুযোগ পাননি। তাই একে বিদায় হজ্ব বলে। প্রায় একলক্ষ মুসলমান এতে যোগ দিয়েছিলেন। আরাফাত ময়দানে পর্বতের চূড়ার ওপর দাঁড়িয়ে হযরত মুহাম্মদ (সা.) উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে মর্মস্পর্শী যে ভাষণ দিয়েছিলেন, ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। এখানে হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করলেন মুসলমান সবাই একে অন্যের ভাই। ইসলাম জাতিগত, বর্ণগত, সম্পদগত বা বংশগত মর্যাদায় ছোট বড় ভেদ নেই। সংসারে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার। তাদের একের ওপর অপরের সমান দাবি রয়েছে। দাস-দাসীদের প্রতি তাদের প্রভুদের যথেষ্ট কর্তব্য আছে। প্রভু যা খায়, দাস-দাসীদেরকেও তা খাওয়াতে হবে এবং প্রভু যেমন কাপড় পরে, দাস-দাসীদেরকেও সে রকম কাপড় পরতে দিতে হবে।

প্রিয় নবীজি (সা.) শত নামে পরিচিত। তিনি মুহাম্মদ, আহমাদ, মুজ্জাম্মিল, মুদ্দাচ্ছির, ইয়াসিন, ত্বহ্, রউফ, রহিম ও রহমাতুল্লিল আলামিন। আল্লাহ কুরআন কারিমে ঘোষণা করেন অবশ্যই তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের নিকট এক রাসুল এসেছেন। তোমাদিগকে যাহা বিপন্ন করে তা তাঁর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি তিনি দয়ার্দ্র ও পরম দয়ালু। অতঃপর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে আপনি বলুন আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট তিনি ব্যতীত অন্য কোনো ইলাহ বা মাবুদ নাই। আমি তাঁরই ওপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা আরশের অধিপতি। (সুরা-৯ তাওবাহ : আয়াত : ১২৮-১২৯)। আল্লাহর বিশেষ রহমত মহানবীর দুনিয়ায় আগমন। নবী করিমের (সা.) আবির্ভাবে মানুষের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও সমগ্র বিশ্ব পরিণত হয় এক বেহেশতি পরিবেশে। তাই তো আল্লাহ ইরশাদ করেন, হে নবী (সা.)! আমি আপনাকে পাঠিয়েছি বিশ্বজগতের জন্য শান্তি ও রহমতস্বরূপ। (সুরা আম্বিয়া : ১০৭)

পৃথিবীতে যারাই মহান ও মহৎ গুণের অধিকারী হয়েছেন তাদের সবাই রাসূলের (সা.) গুণে গুণান্বিত হয়ে সর্বোচ্চ মর্যাদাবান হয়েছেন। পরশ পাথরের ঘর্ষণে লোহা যেমন স্বর্ণে পরিণত হয় তেমনই রাসূলকে (সা.) অনুসরণ করার মাধ্যমে মুর্দা দিলগুলো জিন্দা হয়ে যায়, কাফির মোমিন হয়ে যায়। আল্লাহ তার নবীর (সা.) ফুলের ঘ্রাণে পুলোকিত হওয়ার জন্য তৌফিক দান করুন। হজ্ব শেষ করে হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় ফিরে আসেন। এর তিন মাস পর তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। যতদিন তাঁর শরীরে শক্তি ছিল ততদিন তিনি নামাজে যোগ দিতেন। কিন্তু শেষে তাঁর শরীর এত দুর্বল হয়ে পড়ল যে তিনি হযরত আবু বকর সিদ্দিককে (রা.) তাঁর পরিবর্তে নামাজের ইমামতি করতে আদেশ দিলেন। তাঁর অবস্থা ধীরে ধীরে খারাপ হতে লাগল। অত:পর ৬৩৩ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল রোজ সোমবার ৬৩ বছর বয়সে আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) ইন্তেকাল করেন। মদিনা শরীফে মসজিদে নববি বিশ্বের মুসলমানগন ভক্তি-ভরে নবীর রওজা জিয়ারত করেন। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ প্রাত্যহিক জীবনে অনুকরণ– অনুসরণ করে চলছে তাঁর জীবনাচার ও অনুপম মহান আদর্শ। সব মানুষের হৃদয়ে তিনি জ্যোতির্ময় চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন অনন্তকাল।

আমাদের নবীজি (সা.) শুধু একজন ধর্মীয় নেতা নন তিনি একজন মহান মানবতাবাদী সংস্কারক ও বিশ্বশান্তির দূত। তার শিক্ষা অনুসরণ করলেই পৃথিবীতে শান্তি, ন্যায় ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি আমাদের জন্য আদর্শ জীবনদর্শন রেখে গেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহর মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব : ২১)

অতএব প্রতিটি মুমিনের উচিত নবীজির (সা.) জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে তা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করা। তবেই দুনিয়া ও আখেরাতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। তায়েফবাসী তাকে অপমান করে রক্তাক্ত করে দিয়েছিল তবুও তিনি তাদের ধ্বংস কামনা করেননি। বরং প্রার্থনা করেছিলেন যেন তাদের বংশধররা ইমান আনতে পারে। যারা তাকে ও তার সাথীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল মক্কার বিজয়ের দিনে তিনি সেটার প্রতিশোধও নেননি বরং সাধারণ ঘোষণা করেছিলেন। এত বড় হৃদয়ের দৃষ্টান্ত পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি। (সুরা আম্বিয়া : ১০৭)

অতএব আমাদের উচিত রসুলে আকরামের (সা.) আগমনের এই মাসকে কেন্দ্র করে তার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তার মহান আদর্শ ও সুন্নতকে আঁকড়িয়ে ধরে ইহকালীন ও পরকালীন অগ্রগতি ও মুক্তিলাভে সাফল্যমতি হওয়া। মাহে রবিউল আউয়ালের বারাকাত রসুলে আকরামের (সা.)মহব্বত ও পরকালীন নাজাত আল্লাহ আমাদের সবাইকে নসিব করুন। আমিন।

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

কবিতা : অশ্রুধারা ।। উম্মে সালামা চৌধুরী
বিনোদন

কবিতা : অশ্রুধারা ।। উম্মে সালামা চৌধুরী

চট্টগ্রামে জ্বালানি খাতে কানাডার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান শাহাদাত হোসেনের
অর্থনীতি

চট্টগ্রামে জ্বালানি খাতে কানাডার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান শাহাদাত হোসেনের

কবিতা: সময় । উম্মে সালমা চৌধুরী
বিনোদন

কবিতা : আপন গতি । । উম্মে সালামা চৌধুরী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের মতবিনিময়
চট্টগ্রাম

অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের মতবিনিময়

মোহাম্মদ নগর এইচকেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান
রাজনীতি

মোহাম্মদ নগর এইচকেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা
রাজনীতি

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

কবিতা : অশ্রুধারা ।। উম্মে সালামা চৌধুরী

কবিতা : অশ্রুধারা ।। উম্মে সালামা চৌধুরী

চট্টগ্রামে জ্বালানি খাতে কানাডার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান শাহাদাত হোসেনের

চট্টগ্রামে জ্বালানি খাতে কানাডার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান শাহাদাত হোসেনের

কবিতা: সময় । উম্মে সালমা চৌধুরী

কবিতা : আপন গতি । । উম্মে সালামা চৌধুরী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের মতবিনিময়

অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর সঙ্গে সীতাকুণ্ড নাগরিক সমাজের মতবিনিময়

মোহাম্মদ নগর এইচকেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান

মোহাম্মদ নগর এইচকেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জিয়াউর রহমান

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা রয়েছে

অসুস্থ যুবদল নেতা আব্বাস উদ্দিনের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা

অসুস্থ যুবদল নেতা আব্বাস উদ্দিনের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে প্রথমবারের মতো ‘মূকাভিনয়ে নজরুল’ উৎসব

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে প্রথমবারের মতো ‘মূকাভিনয়ে নজরুল’ উৎসব

পেকুয়ায় নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পেকুয়ায় নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.