ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু হিসেবে চিহ্নিত করা সমাজে বিভাজন বাড়ায়। ধর্ম বা মত ভিন্ন হতে পারে- থাকবে , কিন্তু আমরা সবাই সবার আগে বাংলাদেশি—এটাই আমাদের প্রধান পরিচয়।
গত ৫৪ বছরে বিভাজনমূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করে বারবার মানুষের মধ্যে কৃত্রিম বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। এই বিতর্ক কোনো সমাধান আনেনি, বরং সমাজে অবিশ্বাস ও দূরত্ব বাড়িয়েছে—যা মোটেও কাম্য নয়।
বাংলাদেশের মানুষ আর এই তথাকথিত বিতর্ক পলিসির ফাঁদে পা দিতে চায় না। আমরা এখন বুঝে গেছি—মতভিন্নতা থাকবে, কিন্তু সেই ভিন্নতার মধ্যেই সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
যারা পরিকল্পিতভাবে ডিবেট উসকে দেয়, তারা মূলত শান্তি চায় না। তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করে নিজেদের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিল করতে চায়।
রাষ্ট্রের কাছে আমাদের স্পষ্ট দাবি, প্রতিটি মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করুন। সবার জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিন।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আর কু-রাজনীতি চর্চা দেখতে চায় না। আমরা একটি সভ্য, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও মানবিক জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই।
লেখক : সাংবাদিক ও সমাজকর্মী
















