চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম সিটির লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহাসিক আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর। এবারের আসরে ১০৮ প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরীফ। দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি নিজেদের দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ১২ বছরের মত জব্বারের বলীখেলা আয়োজনে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।
বন্দরনগরীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী এ বলীখেলা প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে ময়দানে উপস্থিত ছিলেন অগণিত মানুষ। বাঘা শরীফ প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে কুমিল্লা থেকে আগত রাশেদ বলীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়নের শিরোপা জিতে নেন। চ্যাম্পিয়ন বলীকে ৩০ হাজার টাকা এবং রানার-আপ বলীকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।
আয়োজনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংসদ আবু সুফিয়ান।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জব্বারের বলী খেলা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজনই নয়; এ বলীখেলা আমাদের পরিচয়ের অংশ এবং শতাধিক বছর ধরে টিকে থাকা ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।’
বাংলালিংকসহ অন্য অংশীদারদের সহযোগিতায় বলী ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বলীরা অংশ নেন। দেশের গ্রাহকদের জন্য সেবার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেদের ব্র্যান্ডের ‘কেয়ার’ মূলমন্ত্রের প্রতিফলন হিসেবেবে জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলালিংক।
এ নিয়ে বাংলালিংকের ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর সৈয়দ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এ আয়োজনের সাথে আমাদের এক যুগের অংশীদারিত্ব দেশের ঐতিহ্যবাহী খেলাকে প্রচারে আলোতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। শুধু শহর-কেন্দ্রিকই নয়, বাংলালিংক দেশের সবখানে সকল কমিউনিটির সাথে সম্পৃক্ততা বাড়াতে দায়বদ্ধ থেকে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলালিংক আমাদের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চায়।’
বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে এ বছর প্রথমবারের মত ঐতিহাসিক এ আয়োজনটি দেশের জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম টফিতে লাইভস্ট্রিম করা হয়।
১১৭তম আসর সমাপ্তির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হল জব্বারের বলীখেলা সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার এক অনন্য প্রতীক। জব্বারের বলীখেলার মত অর্থবহ বিভিন্ন আয়োজনে পাশে থাকার মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার ব্যাপারে বাংলালিংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
















