চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম-১০ আসনের সাংসদ সাঈদ আল নোমান বলেছেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শিতায় অনন্য উচ্চতায়। তিনি সর্বোচ্চ সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন। দায়িত্ব পালনে নিজের পজিশনকে কখনও কারণ বানাননি। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও সততার ফলশ্রুতিতে আমাদের আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাইতো তরুণ প্রজন্মের কাছে আমাদের যত ধারক-বাহক আছে সবাইকে জিয়াউর রহমানের গুণাবলিকে তুলে ধরতে হবে। তার জীবনীকে সচিত্র ব্যাখ্যা করতে হবে। জিয়াউর রহমানের গুণাবলির সঙ্গে একটি মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে।’
রোববার (৩১ মে) বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনুষ্ঠানে সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যেখানে একমতের বাইরে কোনমত থাকবে এমন নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়, সেখানে তিনি একমত নয় বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। আমাদের বারবার যখনি সুযোগ আসবে তখনি আমাদের আলোচনায়, চিন্তায় তাকে নিয়ে আসতে হবে। বারবার তাকে কর্মীদের সামনে, নেতৃত্বের সামনে, তরুণদের সামনে তুলে ধরতে হবে। তার বৈশিষ্টগুলোর সাথে সবাইকে পরিচয় করাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সততা নিয়ে যিনি কাজ করেছেন দেশের জন্য যেখানে কোন বিতর্ক নেই। সেই জায়গায় আমাদের একটি মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে। ১৯৭১ সালে অনেক বড় বড় জেনারেল ছিলেন, কিন্তু জিয়াউর রহমান মেজর হয়েও স্বাধীনতার জন্য ঝাপিয়ে পড়েন। তিনি তার পজিশনকে একবারও গুরুত্ব দেননি। দ্বিতীয়টি হলো, জিয়াউর রহমান ছিন্নভিন্ন, ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে, কিভাবে পুনর্গঠন করতে হবে তিনি বুঝেছিলেন। আর তার দূরদর্শিতা দেশকে অনেক কিছু এনে দিয়েছে। তাইতো ৫৫ বছর ধরে যেই বাংলাদেশ আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি সেই বাংলাদেশ গঠনে আমরা কাজ করতে হবে, এ জন্য শহীদ জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমরা বারবার আলাপ করব। তার সন্তান আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগ যুগ ধরে যেই স্বপ্ন দেখছে, সেটি বাস্তবায়নে কাজ করব।’
সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, ‘শিক্ষায়, চর্চায় আমাদেরকে জিয়াউর রহমানকে সামনে রাখতে হবে। তাহলেই সঠিক, মানুষের ত্যাগের জন্য রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে পারব। তার জীবন দর্শনই হোক আমাদের পথচলা।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এএম নাজিম উদ্দিন। সঞ্চালনায় ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ উল আলম রাসেল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. সিদ্দিক আহমেদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাবেক সহসভাপতি এমএ সবুর, নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিন, শাহ আলম, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এসকে খোদা তোতন, সদস্য নুরুল আলম রাজু, আবুল হাসেম, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, কামরুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন ডিপটি, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, শম জামাল, ডাক্তার কামরুন নাহার দস্তগীর, জসিম উদ্দিন জিয়া, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
















