চট্টগ্রাম : প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ ও ইইই ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ইইই ডে ৩.০।
রোববার (৩ মে) সিটির বায়েজিদ আরেফিন নগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক, রেজিস্ট্রার এএফএম মোদাচ্ছের আলী ও অধ্যাপক প্রকৌশলী আশুতোষ নাথ।
বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রধান ইভেন্টে রোবোসকার, লাইন ফলোয়িং রোবট, সার্কিট সল্ভিং, পোস্টার প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট শোকেসিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কামাল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির এমন আয়োজন সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে বায়ু বিদ্যুৎ টারবাইনের ভার্টিকেল প্ল্যান, সৌর বিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রজেক্টগুলো বেশ যুগোপযোগী। ফুয়েল নির্ভল সিস্টেম থেকে বেরিয়ে এসে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প খুঁজতে হবে।’
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে উপস্থাপিত প্রজেক্টগুলোর বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করলে ভবিষ্যতে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
আশরাফুল ইসলাম আউটকাম বেজড এডুকেশন সিস্টেম বাস্তবায়নের উপর জোর দেন। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার সাথে সাথে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় সাধনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। এ লক্ষ্যে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের জন্য জিইএম কোং লিমিটেডে পরিদর্শন ও প্রশিক্ষণের যাবতীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিযোগিতা শেষে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আবৃত্তি, নাচ, গান ও নাটকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দর্শকদের মনোমুগ্ধ করেন। সন্ধ্যায় বিশেষ কনসার্টের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পর্দা নামানো হয়।
অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি সৃজনশীল চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করেছে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আরো ব্যাপক পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
আয়োজনে স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে অটোমেশন বিডি, দ্যা ইংলিশ একাডেমি, নিউরো কেয়ার, লিজা বিউটি পার্লার অ্যান্ড মেকওভার।
















