ইরানের রাজধানী তেহরানে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সাথে তেহরানের একাধিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার সংবাদ পাওয়া গেছে।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এ বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এর পূর্বে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলজুড়ে তাৎক্ষণিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যাতে আমাদের রাষ্ট্রের ওপর ঝুঁকি দূর করা যায়।’
এদিকে, ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী সাধারণ মানুষকে বোমা আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকার জন্য সতর্ক করছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে’ সাধারণ মানুষ যেন নিজের নিকটবর্তী সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্র সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলে।’
এর পূর্বে, ইরান ইস্যুতে আলোচনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসে তিনি বলেছেন, জেনেভায় তৃতীয় দফা আলোচনা শেষে ইরানের পরমাণু আলোচনায় তাদের আচরণে তিনি ‘সন্তুষ্ট নন’।
জেনেভায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা বললেও চূড়ান্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। তেহরান প্রয়োজনীয় ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, ইরান এখনও পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে রাজি নয়। সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে না চাইলেও কখনও কখনও তা করতে হয়।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। তারা যেভাবে আলোচনা করছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী রয়েছে—এর কাছাকাছি কেউ নেই। আমি চাই না সেটি ব্যবহার করতে। কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে তা ব্যবহার করতেই হয়।’
সূত্র : ফার্স নিউজ এজেন্সি।
















