চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘আধুনিক চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ভিত নির্মাণে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শিল্পায়ন, রপ্তানিমুখী অর্থনীতি ও অবকাঠামোগত সম্প্রসারণের মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায় অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।’
শুক্রবার (২ জানুয়ারী) বাদে মাগরিব চকবাজার সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে খালেদা জিয়া রুহের মাগফেরাত কামনায় মসজিদ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহফিলে খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সব সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী।
অনুষ্ঠানে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মানুষ সাধারণত একজন দৃঢ়চেতা ও আপসহীন রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবেই চেনে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তার অবস্থান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তার ভূমিকা এবং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম তাকে জনমানসে গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত করেছে। তার ব্যক্তিগত শালীনতা, ভদ্রতা ও দেশপ্রেম সাধারণ মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে তার ধারাবাহিক নির্বাচনি সাফল্যে। তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করেছে তিনি ছিলেন জনমানুষের নেত্রী।’
‘খালেদা জিয়া সারা জীবন দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি সাহসী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তার এই নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তার মৃত্যুতে পুরো দেশের মানুষ শোকাহত।’
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন কায়সার লাভু, মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি রমজু মিয়া, সদস্য এমএ হালিম বাবলু, আবদুল মালেক, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আবু, চসিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।
















