• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ জাতীয়

রিভিউ নিষ্পত্তি/ বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে ফিরল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: অক্টোবর ২০ ২০২৪, ১৯:৩৮ অপরাহ্ণ
অ- অ+
হাইকোর্টের আদেশ আপিলে স্থগিত, রমজানে বিদ্যালয় খোলা
0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

ঢাকা: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের বিধান সংক্রান্ত সংবিধানের বহুল আলোচিত ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা ‘রিভিউ’ আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ থেকে বাতিল ২ থেকে ৮ উপ-অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল (রিস্টোর) করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে রোববার (২০ অক্টোবর) আপিল বিভাগ রায় দেন।

এ রায়ের ফলে কোন বিচারপতির বিরুদ্ধে অসমর্থতা ও পেশাগত অসদাচরণের কোন অভিযোগ উঠলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। এ রায়ের ফলে, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় বহাল রইল এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে ফিরল বলে জানান শুনানিতে অংশ নেয়া সিনিয়র আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আদালতে রিটকারি পক্ষের শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আদালতের অনুমতি নিয়ে শুনানি করেন মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস করা হয়। ওই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ন্যস্ত করে সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন। সে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। সে আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করে রায় দেন। বহুল আলোচিত ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে, দেশের গণতন্ত্র, রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, সুশাসন, দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। তবে, আপিল বিভাগের দেয়া সে রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছিল।

আপিল শুনানিতে আদালতে মতামত উপস্থাপনকারী দশ অ্যামিকাস কিউরির (আদালতের বন্ধু) মধ্যে শুধু ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে মত দেন। অপর নয় অ্যামিকাস কিউরি কামাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমআই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, এএফএম হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার এম. আমিরুল ইসলাম, বিচারপতি টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, এজে মোহাম্মদ আলী সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বিপক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

২০১৬ সালের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এ বিধান ছিল। তবে, সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র।’

রায়ে আরো বলা হয়, ‘কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদের ফলে দলের বিরুদ্ধে সাংসদরা ভোট দিতে পারেন না। তারা দলের হাইকমান্ডের কাছে জিম্মি। নিজস্ব কোন সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ৭০ অনুচ্ছেদ রাখার ফলে সাংসদদের সব সময় দলের অনুগত থাকতে হয়। বিচারপতি অপসারণের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও তারা দলের বাইরে যেতে পারেন না। যদিও বিভিন্ন উন্নত দেশে সাংসদদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা আছে।’

রায়ে আরো বলা হয়, ‘মানুষের ধারণা হল, বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সাংসদদের হাতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে। সে ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে যাবে। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সাংসদদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া হয়। যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

সংবিধানে এ সংশোধনী হওয়ায় মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে; এমন যুক্তিতে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর রুল জারি করা হয়।

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

এজলাসের বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত, ২২ দিন পর গ্রেফতার এক আসামি
চট্টগ্রাম

এজলাসের বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত, ২২ দিন পর গ্রেফতার এক আসামি

মার্সেল মার্সো স্মরণে অনুষ্ঠিত হলো ‘রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব’
বিনোদন

মার্সেল মার্সো স্মরণে অনুষ্ঠিত হলো ‘রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব’

তথ্য যাচাই না করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয় : ডিসি জাহিদ
জাতীয়

তথ্য যাচাই না করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয় : ডিসি জাহিদ

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সহায়তা বাড়াতে হবে : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রাম

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সহায়তা বাড়াতে হবে : মেয়র শাহাদাত

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না : ডিসি জাহিদ
চট্টগ্রাম

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না : ডিসি জাহিদ

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সব পক্ষকে একযোগে কাজের আহ্বান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের
চট্টগ্রাম

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সব পক্ষকে একযোগে কাজের আহ্বান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

এজলাসের বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত, ২২ দিন পর গ্রেফতার এক আসামি

এজলাসের বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরিকাঘাত, ২২ দিন পর গ্রেফতার এক আসামি

মার্সেল মার্সো স্মরণে অনুষ্ঠিত হলো ‘রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব’

মার্সেল মার্সো স্মরণে অনুষ্ঠিত হলো ‘রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব’

তথ্য যাচাই না করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয় : ডিসি জাহিদ

তথ্য যাচাই না করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয় : ডিসি জাহিদ

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সহায়তা বাড়াতে হবে : মেয়র শাহাদাত

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সহায়তা বাড়াতে হবে : মেয়র শাহাদাত

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না : ডিসি জাহিদ

বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না : ডিসি জাহিদ

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সব পক্ষকে একযোগে কাজের আহ্বান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সব পক্ষকে একযোগে কাজের আহ্বান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের

চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে : মেয়র শাহাদাত

চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে : মেয়র শাহাদাত

ওম্যান : দ্য ওয়াও ফেস্টে নাচ, সংলাপ ও শিল্পকর্মে নারীর জীবন ও পরিচয়ের গল্প

ওম্যান : দ্য ওয়াও ফেস্টে নাচ, সংলাপ ও শিল্পকর্মে নারীর জীবন ও পরিচয়ের গল্প

আইন পেশায় সফলে সততা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী হেলাল

আইন পেশায় সফলে সততা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতার বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী হেলাল

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে বিভাগীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে বিভাগীয় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.