চট্টগ্রাম : ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাজীব রঞ্জন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) পরিদর্শন করেছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত সিএসইর কার্যালয়ে যান তিনি।
এ উপলক্ষে আয়োজিত সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, বোর্ড পরিচালক এমদাদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী ও নাজনীন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার।
অনুষ্ঠানে সাইফুর রহমান মজুমদার বাংলাদেশের পুজিবাজারের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন, যেখানে ভারতের সাথে সহযোগিতার সুস্পষ্ট সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।
তিনি ভারতের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতাকে আরও গভীরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান, বিশেষ করে বাজারের বহুমুখীকরণ ও পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস বাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে।
এছাড়া, সাইফুর রহমান মজুমদার অন্যান্য এসেট ক্লাস সম্প্রসারণে সহযোগিতার অনুরোধ জানান, যাতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লক্ষ্য অনুযায়ী একটি মাল্টি এসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বাংলাদেশের পুজিবাজার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বাংলাদেশ পুঁজিবাজারে বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলো অন্বেষণের জন্য ভারতীয় ব্রোকার ও বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান।
রাজীব রঞ্জন বলেন, ‘পুঁজিবাজার বিষয়ে ভারতের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে—যা আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে আগ্রহী। যৌথ কারিগরি সেশন, বিশেষায়িত কর্মশালা ও নলেজ ট্রান্সফার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশেষত কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে ভারতের পরীক্ষিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তার আর্থিক বাজারকে আরও উন্নত করতে পারে; যা হবে বাংলাদেশের পণ্যখাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য মূল্য নির্ধারণ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিএক্স) কমোডিটি ডেরিভেটিভস ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়ার (এসইবিআই) আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রাপ্তির মাধ্যমে এর সফল মডেলটি সিএসইর জন্য একটি ব্লুপ্রিন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ভারত সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত বাংলাদেশকে কেবল প্রতিবেশী হিসেবেই নয়, বরং প্রকৃত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দেখে। তাই আমরা এই পথচলায় একসঙ্গে এগিয়ে যাব। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক চিরজীবী হোক।’
হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
















