ইউনিয়ন পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ২টি উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় ব্যালট পেপার হস্তান্তরের পরে ৮টা থেকে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তবে ভোট নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা দেয়া আছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকালে রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের পাঙ্গাসী লায়লা মিজান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দীর্ঘ সারিবদ্ধভাবে নারী ও পুরুষদের দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেখা গেছে।
ভোট দিতে আসা জমির উদ্দিন বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠেই চলে আসছি ভোট দিতে। লাইনে অনেক মানুষ তাই একটু দেরি হচ্ছে।
নারী ভোটার মাজেদা বেগম বলেন, ভোট কেন্দ্রে এসে অনেক ভালো লাগছে। ভোট দিবো বলে সকাল সকাল চলে আসছি।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার গৌতম কুমার কুণ্ডু বলেন, সকাল সাড়ে ৬টায় ব্যালট পেপার এসেছে ও মাত্র ভোট শুরু হলো। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবো।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডি.এস.বি) পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার দুটি ইউনিয়নের ১৭টি উপজেলার ২৪২টি ভোটকেন্দ্রে ৫ জন করে ও সার্বিক নিরাপত্তা মিলিয়ে ১৪শ’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রশাসনকে সেভাবেই নির্দেশনা দেওয়া আছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন সুশৃঙ্খলভাবে করতে দুটি উপজেলায় মোট ৮ প্লাটুন বিজিবি, ১৪শ’ পুলিশ ও ৪ হাজার ১১৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও ৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দুটি উপজেলায় নিয়োজিত আছেন।
উল্লেখ্য, জেলার সদর ও রায়গঞ্জ উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে মোট ২৪২টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। দুটি উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৫৩ জন, সদস্য পদে লড়ছেন ৭১১ জন ও সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ২১১জন। এর মধ্যে দুই উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন ৬ জন। বাকি ১১টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৪৭ জন।
















