চট্টগ্রাম : মাদক বিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানা এলাকা হতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পাখি আক্তার ও তার পাঁচ সহযোগীকে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন রঙ্গিপাড়া রমনা আবাসিক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মৃত. নুরু মিয়ার কন্যা পাঁখি আক্তার (৩৫) ও পুত্র মো. ফারুক (২৬), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার ডোপাকান্দার মো. হারুনের স্ত্রী ফারজানা বেগম (২৬), মৃত. নুরু মিয়ার কন্যা শাহানা বেগম (৫০), কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার কুটনার মৃত. শরু মিয়ার পুত্র মো. হানিফ মিয়া (২৭), চট্টগ্রাম মহানগরের হালিশহর থানার রঙ্গিপাড়া আবাসিক এলাকার মো. ইসহাকের পুত্র শেখ ফরিদ (৩০)।
র্যাব-৭ চট্টগ্রাম গোপন তথ্যে ভিত্তিতে জানতে পারে, কিছু মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন রঙ্গিপাড়া রমনা আবাসিক এলাকায় মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয়ের জন্য মজুদ করেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল রঙ্গিপাড়া রমনা আবাসিক এলাকাস্থ জাহাঙ্গীর আলমের তিন তলা ভবনের নিকট পৌঁছায়। স্থানীয় লোকজনদেরকে সাথে নিয়ে বর্ণিত ভবনের দ্বিতীয় তলার পূর্ব পার্শ্বের ফ্ল্যাটের দরজায় নক করলে ১ জন মহিলা দরজা খুলে দেনন। ফ্ল্যাটের ভিতরে ঢুকে দেখা যায়, অভিযুক্তরা রুমের ফ্লোরে বসে গাঁজার বড় প্যাকেট খুলে ডিজিটাল ওজন মেশিন দ্বারা মেপে ছোট ছোট কাগজে পুরিয়া বানাচ্ছে। এ ঘটনায় পাঁখি আক্তার, মো. ফারুক, ফারজানা বেগম, মো. হানিফ মিয়া, শেখ ফরিদ ও শাহানা বেগমকে গ্রেপ্তাার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী ওই ফ্লাট বাসা হতে সর্বমোট ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা ২০ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত আসামিদের ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
















