• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক আবেদিত
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Chattogram Barta24
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
প্রচ্ছদ মতামত

প্রশাসক নিয়োগের আড়ালে প্রতিষ্ঠান দখল ও লুটপাট

আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু
প্রকাশিত: জুন ১৪ ২০২৬, ১৯:২১ অপরাহ্ণ
অ- অ+
কুরবানি : আত্মশুদ্ধি, মানবিকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের মহাশিক্ষা

আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু

0
শেয়ার
0
দেখেছে
Share on FacebookShare on Twitter

একটি প্রতিষ্ঠান কেবল ইট-পাথর, আসবাবপত্র, ব্যাংক হিসাব কিংবা প্রশাসনিক কাঠামোর সমষ্টি নয়। একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, শ্রম, বিনিয়োগ, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য মানুষের পরিশ্রম, সততা ও আত্মনিবেদনের মধ্য দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে দাঁড়িয়ে ওঠে। কোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে থাকে প্রতিষ্ঠাতার নির্ঘুম রাত, সদস্যদের আস্থা, কর্মীদের নিষ্ঠা ও অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

এই দীর্ঘ পরিশ্রমে গড়ে ওঠা কাঠামোর ভেতরেই যখন প্রশাসনিক সংকট, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা ব্যবস্থাপনাগত জটিলতা সৃষ্টি হয়, তখন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগ একটি কাঠামোগত ও সাময়িক সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়। নীতিগতভাবে এর উদ্দেশ্য হওয়ার কথা—প্রতিষ্ঠানকে অচলাবস্থা থেকে উদ্ধার করা, অনিয়ম দূর করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা এবং নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় প্রকৃত মালিক ও সদস্যদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।

কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে বিভিন্ন সময়ে এমন অভিজ্ঞতা ও অভিযোগ সামনে আসে, যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি ধ্বংস না করে অভিনব কৌশলে তার নিয়ন্ত্রণ কাঠামো পরিবর্তনের মাধ্যমে কার্যত ভিন্ন বাস্তবতা সৃষ্টি করা হয়। আর এই প্রক্রিয়ার অন্যতম আলোচিত উপায় হয়ে ওঠে প্রশাসক নিয়োগ।

অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে, প্রশাসক নিয়োগের আড়ালে এমন একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় হয় যেখানে বহিরাগত স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, প্রভাবশালী মহল এবং প্রশাসনিক যোগসূত্র একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। ফলে প্রকৃত মালিক ও সদস্যরা প্রতিষ্ঠানের মূল কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

তারা আইনগতভাবে মালিক বা সদস্য থাকলেও বাস্তব ক্ষমতা, নীতি নির্ধারণ, আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্র থেকে কার্যত প্রান্তিক অবস্থানে চলে যান।

এই বিচ্ছিন্নতার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ধীরে ধীরে একটি অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসক ও বহিরাগত চক্রের মধ্যে যখন স্বার্থের সমন্বয় তৈরি হয়, তখন আর্থিক প্রবাহ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ একতরফা হয়ে ওঠে, জবাবদিহিতা দুর্বল হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বার্থের দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক নৈতিক ও প্রশাসনিক ভারসাম্য হারাতে শুরু করে।

এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো—মালিক ও সদস্যদের ক্রমাগত প্রান্তিকীকরণ। তারা প্রতিষ্ঠানের অংশ হয়েও সিদ্ধান্তের বাইরে চলে যান। তাদের মতামত, অধিকার ও অংশগ্রহণ কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে, বাস্তবে তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন থাকে না।

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, এই ধরনের কাঠামোতে অনিয়ম, সম্পদ অপব্যবহার বা লুটপাটের ঘটনাগুলো অনেক সময় কার্যকর তদন্ত বা ন্যায়বিচারের আওতায় আসে না। এতে একটি বিচারহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়, যেখানে প্রকৃত মালিক ও সদস্যরা নিজেদেরই গড়া প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসহায় দর্শকে পরিণত হন।

তারা নিজের চোখের সামনে সম্পদের পরিবর্তন, সিদ্ধান্তের একতরফা প্রয়োগ এবং কাঠামোগত দুর্বলতা দেখতে থাকেন, অথচ কার্যকর প্রতিকার পাওয়ার পথ তাদের জন্য ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ তোলাও সামাজিক, প্রশাসনিক কিংবা প্রভাবশালী চাপের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এক গভীর আস্থার সংকট তৈরি করে। মালিকানা থাকলেও আস্থা হারিয়ে যায়, অংশগ্রহণ কমে যায় এবং প্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে তার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ শক্তি হারাতে থাকে।

আরও একটি বিপজ্জনক প্রবণতা হলো—সংকট গভীর হলে প্রকৃত ঘটনার দায় আড়াল করতে পূর্ববর্তী পরিচালনা বা মালিকপক্ষকে দায়ী করে একটি বিকল্প বর্ণনা তৈরি করা হয়। এতে মূল ঘটনার ধারাবাহিকতা বিকৃত হয় এবং প্রকৃত দায়-দায়িত্ব অস্পষ্ট হয়ে পড়ে।

এই বাস্তবতায় প্রশাসকের হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে। একদিকে প্রশাসনিক ক্ষমতা, অন্যদিকে বহিরাগত প্রভাব—এই দুইয়ের সমন্বয়ে যখন একটি অস্বচ্ছ কাঠামো গড়ে ওঠে, তখন প্রতিষ্ঠান তার স্বাভাবিক জবাবদিহিতা হারায় এবং একটি নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হয়।

এই প্রেক্ষাপটে সরকারের জন্য কিছু কঠোর, সুস্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক নীতিগত সংস্কার অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়।

প্রথমত, প্রশাসক নিয়োগ ব্যবস্থাকে মালিকানা সুরক্ষার ভিত্তিতে পুনর্গঠন করতে হবে। প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রকৃত মালিক, প্রতিষ্ঠাতা এবং নিবন্ধিত সদস্যদের।

দ্বিতীয়ত, বহিরাগত ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আবেদনের ভিত্তিতে প্রশাসক নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। এ ধরনের প্রভাব বা আবেদনকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। এমন কোনো নিয়োগ ঘটলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ ও বাতিলযোগ্য হিসেবে গণ্য করতে হবে।

তৃতীয়ত, মালিকানা ও সদস্যপদ যাচাই বাধ্যতামূলক করতে হবে, যাতে কোনো ভুয়া বা বহিরাগত প্রভাব প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে।

চতুর্থত, প্রশাসকের ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে সীমিত ও নির্ধারিত করতে হবে এবং তার প্রতিটি সিদ্ধান্তকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে, যাতে ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিরোধ করা যায়।

পঞ্চমত, স্বার্থ সংঘাত প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে—যেখানে প্রশাসক বা সংশ্লিষ্ট কারও ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক বা আর্থিক স্বার্থ প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ষষ্ঠত, প্রশাসক নিয়োগকে অবশ্যই অস্থায়ী, সংকটকালীন এবং নির্দিষ্ট সময়সীমাবদ্ধ ব্যবস্থা হিসেবে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যার একমাত্র লক্ষ্য হবে দ্রুততম সময়ে প্রতিষ্ঠানকে স্থিতিশীল করে প্রকৃত মালিক ও সদস্যদের হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া।

এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্টভাবে আইনগতভাবে নিশ্চিত করা জরুরি—কোনো প্রতিষ্ঠানের উপর বহিরাগতদের আবেদন, চাপ বা প্রভাবের ভিত্তিতে প্রশাসক নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য হতে হবে। এমন কোনো নিয়োগ যদি কোনোভাবে হয়ে যায়, তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলযোগ্য হিসেবে গণ্য করতে হবে, যাতে বহিরাগত হস্তক্ষেপের সুযোগ বন্ধ থাকে এবং মালিকানা কাঠামো সুরক্ষিত থাকে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রশাসক নিয়োগ যদি স্বচ্ছতা ও পুনর্গঠনের পরিবর্তে ক্ষমতার দখল, সম্পদ নিয়ন্ত্রণ এবং মালিক বঞ্চনার হাতিয়ারে পরিণত হয়, তবে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—বরং মানুষের শ্রম, অধিকার, আস্থা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের ওপর এক গভীর কাঠামোগত সংকট।

লেখক : কবি

ShareTweetShare

আরও পড়ুন

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ
চট্টগ্রাম

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ
রাজনীতি

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ
মতামত

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বিনোদন

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা
বিনোদন

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম
রাজনীতি

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম

পুরোনো সংখ্যা

সর্বশেষ

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ

সন্ত্রাস নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে : এসপি মাসুদ

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম জামায়াতে বিভক্তি, আমীর নির্বাচনে রুকন সম্মেলনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সামাজিক জাগরণ

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চট্টল থিয়েটারের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা

আহমেদাবাদে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন অভ্র বড়ুয়া ও রশ্নি সিনহা

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম

দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি জরুরি : আনিসুল ইসলাম

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের নতুন সমন্বয়কারী আমানতউল্লাহ আমান

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের নতুন সমন্বয়কারী আমানতউল্লাহ আমান

দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পেতে রাসূলের আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই : তাহের জাবেরি

দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পেতে রাসূলের আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই : তাহের জাবেরি

দায়িত্বে অবহেলা করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: মেয়র শাহাদাত

আদালতের রায়ে মেয়র, এবার চসিকের প্রশাসক হলেন শাহাদাত হোসেন

সাংবাদিক শফিকুর রহমানের মৃত্যুতে সিইউজের গভীর শোক

সাংবাদিক শফিকুর রহমানের মৃত্যুতে সিইউজের গভীর শোক

cbarta24


সম্পাদক: মোহাম্মদ রুবেল খান
প্রকাশক: আবুল হোসাইন মো.কাউছার
যোগাযোগ
শাহী টাওয়ার (২য় তলা) এন.এ. চৌধুরী রোড, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম।
০১৮৫১ ২১৪ ৭৪৭
cbartanews@gmail.com
কোন ফলাফল নেই
সব ফলাফল দেখুন
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • সাক্ষাৎকার
  • মতামত

© ২০২২-২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত সিবার্তা ২৪

This website uses cookies. By continuing to use this website you are giving consent to cookies being used. Visit our Privacy and Cookie Policy.