চট্টগ্রাম : ‘আমার রবীন্দ্রনাথকে আমি পাই দুঃখের দিনে, অনন্ত প্রেমে। আমার রবীন্দ্রনাথকে আমি পাই বর্ষার দিনে, কোন এক ষোড়শী যৌবনা নদীর আপন বেগে বয়ে চলায়। জোৎস্নারাতে ধানের ক্ষেতে একদল প্রানোচ্ছল শিশুর লুকোচুরির খেলায়, আবার কখনোবা গ্রামছাড়া ওই রাঙ্গামাটির পথে হারিয়ে যেতে যেতে আমি রবীন্দ্রনাথকে পাই।
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তাই আমি একলা চলতে শিখেছি। আমার বিরহে, আমার একাকীত্বে, আমার নিঃসঙ্গ দিনে, আমি রবীন্দ্রনাথের গানের কাছে কবিতার কাছে আশ্রয় খুঁজি।
জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে প্রতিটি মুহুর্তে রবীন্দ্রনাথের গান কবিতাগুলো আমাকে আশ্রয় আর প্রশ্রয় দেয়, জীবনবোধ শেখায়, জীবনকে চিনতে শেখায় ভালোবাসতে সেখায়। আমাকে প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে সাহায্য করে।
শুক্রবার (৮ মে) বিকালে চিরদিনের সখা অনুষ্ঠানের আড্ডায় শিল্পীরা এভাবেই প্রকাশ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাদের মনের ভাবনা।
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের শিল্পী ও আমন্ত্রিত শিল্পীরা জামালখান খাতাখড়ি বই বিপনী মিলনায়তনে ‘চিরদিনের সখা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে কবিতা, আড্ডা ও গানে শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করে জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে।
অনুষ্ঠানে একক আবৃত্তি করেন ত্রিতরঙ্গের রাশেদ খান মেনন, লাবণ্য মুৎসুদ্দি, সানজিদা আকতার, শেলী বড়ুয়া, জুহি সেন গুপ্তা, আফরোজা চৌধুরী মুক্তা, সুজয় দে।
আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন রাশেদ হাসান, হাসান জাহাঙ্গীর, সেলিম রেজা সাগর, সূবর্ণা চৌধুরী, সাইফুর রহমান, রুনা চৌধুরী, সাবিহা আকতার, পুস্পা সর্ব্ববিদ্যা, নিগার খন্দকার, অজন্তা ভট্টাচার্য বর্ষা।
গান করেন পূর্বাশা বড়ুয়া, অন্ন দাশ বৃষ্টি, পূর্ণিতা দে।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন আবৃত্তিশিল্পী দেবাশিস্ রুদ্র।
















